বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে মুখোমুখি সেনাপ্রধান ও সাংবাদিক ইলিয়াস || বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে সাংবাদিক ইলিয়াস
Feb 26, 2025•Channel
AI Analysis
Data from YouTube Data API v3•Updated Just now
Video Overview
Video Details
PublishedFeb 26, 2025
Duration22:38
Video ID373lwhPXVhk
Languagebn
CategoryNews & Politics
PrivacyPublic
Made for KidsNo
Video TypeRegular Video
Performance Metrics
Views5.3K
Likes187
Comments10
Engagement Rate3.75%
Likes per 100 views3.56
Comments per 1K views1.90
Video Tags
#বিডিআর বিদ্রোহ#সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন#সাংবাদিক ইলিয়াস#বিডিআর বিদ্রোহ দায়ী কে?#সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান#বিডিআর বিদ্রোহ শেখ হাসিনা জেনারেল আজিজের বিরুদ্ধে মামলা#সেনাপ্রধান#বিডিআর ও সেনাবাহিনী#বাংলাদেশ বিডিআর#ইলিয়াস হোসেন#বিদ্রোহের নামে#মুছে গেছে রক্তের দাগ কিন্তু ইতিহাসে কলঙ্কময় অধ্যায়ের নাম বিডিআর বিদ্রোহ#বিডিআর#বিডিআর সদর দপ্তরের নারকীয় হত্যাযজ্ঞ#বিডিআর রিপোর্ট#বিডিআর দুর্নীতি#বিদ্রোহের নামে সেনা কর্মকর্তা হত্যাকাণ্ডের গোপন অডিও#ইলিয়াছ হোসাইন#taj tv
Description
বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে মুখোমুখি সেনাপ্রধান ও সাংবাদিক ইলিয়াস || বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে সাংবাদিক ইলিয়াস
বিডিআর সদস্য দ্বারা সংঘটিত, ফুলস্টপ, কোনো ‘ইফ’ এবং ‘বাট’ নাই: সেনাপ্রধান
পিলখানা হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, একটা জিনিস সব সময় মনে রাখতে হবে, এই বর্বরতা কোনো সেনাসদস্য করেনি।সম্পূর্ণটাই তদানীন্তন বিডিআর সদস্য দ্বারা সংঘটিত।
২০০৯ সালে পিলখানায় সংঘটিত নির্মম হত্যাকাণ্ডে শাহাদাতবরণকারী সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া ক্লাবের হেলমেট হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান এ কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, ‘একটা জিনিস আমাদের সব সময় মনে রাখতে হবে, এই বর্বরতা কোনো সেনাসদস্য করেনি। সম্পূর্ণটাই তদানীন্তন বিজিবি (বিডিআর) সদস্য দ্বারা সংঘটিত। ফুলস্টপ। এখানে কোনো “ইফ” এবং “বাট” (যদি ও কিন্তু) নাই। এখানে যদি “ইফ” এবং “বাট” আনেন, এই যে বিচারিক কার্যক্রম এত দিন ধরে হয়েছে, ১৬ বছর ধরে, ১৭ বছর ধরে যারা জেলে আছে, যারা কনভিকটেড, সেই বিচারিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে। এই জিনিসটা আমাদের খুব পরিষ্কার করে মনে রাখা প্রয়োজন। এই বিচারিক প্রক্রিয়াকে নষ্ট করবেন না। যে সমস্ত সদস্য শাস্তি পেয়েছে, তারা শাস্তি পাওয়ার যোগ্য।’
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘আজকে একটা বেদনাবিধুর দিবস। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি আমরা এই ৫৭ জন চৌকস সেনা অফিসার এবং শুধু তা–ই নয়, তাঁদের কিছু কিছু পরিবারের সদস্যদের আমরা হারিয়েছি। এখানে আসার সময় এই ছবিগুলো আমি দেখছিলাম। এই ছবিগুলো আপনারা অনেকে ছবিতে দেখেছেন। কিন্তু এগুলো আমার সব চাক্ষুষ দেখা। আমি একটা চাক্ষুষ সাক্ষী এই সমস্ত বর্বরতার।’
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘এখানে কোনো রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এর মধ্যে উপস্থিত ছিল কি না, ইনভলব ছিল কি না, বাইরের কোনো শক্তি এর মধ্যে ইনভলব ছিল কি না, সেটার জন্য কমিশন করা হয়েছে। কমিশনের চেয়ারম্যান এখানে আছেন। উনি এটা বের করবেন এবং আপনাদের জানাবেন।’
সেনাপ্রধান বলেন, ‘বটমলাইন হচ্ছে যে এই সমস্ত, আমাদের এই চৌকস সেনাসদস্য, যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন তদানীন্তন বিডিআর সদস্যদের গুলিতে। আমরা নিজেরা এসব জিনিস নিয়ে অনেক ভিন্নমত পোষণ করছি কেউ কেউ। এই জিনিসটাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছি। সেটা আমাদের জন্য মঙ্গলজনক হবে না।’