অহংকারী প্রেমিক ❤️ | Ahankari Premik ❤️ | Romantic Emotional Natok | বন্ধুত্ব ও ভালোবাসার গল্প 💕"
Sep 22, 2025•Channel
AI Analysis
Data from YouTube Data API v3•Updated Just now
Video Overview
Video Details
Published8 months ago
Duration25:26
Video IDaY46Atum7aA
Languagenl-NL
CategoryComedy
PrivacyPublic
Made for KidsNo
Video TypeRegular Video
Performance Metrics
Views1.4M
Likes9.1K
Comments1.1K
Engagement Rate0.71%
Likes per 100 views0.63
Comments per 1K views0.74
Video Tags
#rowshan video#rasid saionir video#ahankari premik#arrogant lover bangla story#bangla love story#bangla romantic drama#bangla college love story#bangla drama 2025#bangla natok 2025#bangla love drama#bengali romantic story#bangla emotional story#bangla love natok#bangla viral love story#bangla family drama#bangla romantic video#arrogant boyfriend story#bangla drama serial#bangla college natok#bengali drama 2025
Description
Welcome to No1 Gramin TV! 🎥
📖 বড় ডিসক্রিপশন (বাংলা)
অহংকারী প্রেমিক গল্পটি শুরু হয় এক কলেজ ক্যাম্পাস থেকে। ছেলেটি আর মেয়েটি একসাথে কলেজ থেকে বেরোচ্ছে। তারা প্রফেসরের লেকচার নিয়ে আলোচনা করতে থাকে। মেয়েটি বলে যে প্রফেসরের ক্লাসটা অতটা ভালো লাগেনি, ভালোভাবে বুঝতেও পারেনি। তখনই ছেলেটির অহংকার প্রকাশ পায়। সে বলে, “ধুর, ও তো কিছুই জানে না, ওর থেকে আমি অনেক ভালো পড়াতে পারব।” শুধু তাই নয়, সে দাবি করে প্রফেসরের সঙ্গে এক টেবিলে বসালে সেও তাকে হার মানাবে। মেয়েটি ব্যঙ্গ করে বলে, “তুই তো পশ্চিমবঙ্গের ফার্স্ট, ভুলেই গেছিলাম।” তখন ছেলেটি আরও অহংকার করে বলে, “না, শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, আমি তো পুরো ভারতবর্ষের ফার্স্ট!”
এমনকি সে তার প্রেমিকার রেজাল্ট নিয়েও খোঁটা দিতে শুরু করে। বলে, “আমার সঙ্গে থাকতে থাকতে তুই ভালো রেজাল্ট করছিস।” মেয়েটি প্রথমে মেনে নেয়, কিন্তু ছেলেটি আবার অহংকার করে বলে, “না, তুই তেমন ভালো করিস না।” এতে মেয়েটি অবাক হয়ে যায়, কারণ ছেলেটির কথার কখনো মাথামুণ্ডু থাকে না। এখানেই প্রথম দৃশ্য শেষ হয়।
পরের দৃশ্যে মেয়েটি বলে, অনেকদিন ধরে কিছু বলবে ভেবে রেখেছে। ছেলেটি অহংকার করে বলে, “বলতে হবে না, আমি জানি তুই কি বলবি—আজ আমাকে অনেক সুন্দর লাগছে তাই তুই আমাকে প্রপোজ করবি।” মেয়েটি রেগে গিয়ে বলে, “না।” কিন্তু শেষ পর্যন্ত মনের ভিতরে লুকানো কথা ফাঁস হয়—সে বিদেশে পড়তে যাবে। ছেলেটির বুকটা কেঁপে ওঠে, সে আবার অহংকার করে বলে, “বিদেশে গিয়েও তো আমার মতো ট্যালেন্টেড ছেলে পাবে না।” মেয়েটি কষ্ট পেয়ে চলে যায়।
রাতে ছেলেটি বিছানায় শুয়ে থাকতে থাকতে বারবার সায়নির কথাগুলো মনে করে। ঘুম আসে না। তখন তার মা ঘরে এসে জিজ্ঞেস করে কেন ঘুমাচ্ছে না। ছেলেটি বলে, “মা, সায়নি বিদেশে পড়তে যাবে, তাই আমার মন খারাপ।” মা তখন বোঝায়, “এটাই প্রেম, তুই ওর প্রেমে পড়েছিস। তবে আমি জানি, ওর বিদেশে পড়ার সামর্থ্য নেই, হয়তো তোকে রাগ দেখাচ্ছে। কাল ওকে বাড়িতে নিয়ে আয়।”
অন্যদিকে তার বাবা চায় ছেলেটি বিয়ে করুক, কিন্তু ছেলেটি বলে, পড়াশোনা শেষ না হলে বিয়ে করবে না। তবে মা চুপিচুপি মেয়েটিকে বোঝায়, “তুই তো সাত বছর ধরে আমার ছেলের পাশে আছিস, তুই-ই বিয়ে করে ফেল।” মেয়েটি অবাক হয়ে বলে, “না, আমি বিদেশে পড়তে যাব।” তখন মা বোঝায়, “পড়াশোনা বিয়ের পরেও করা যায়।”
এরপর বাইকে চড়ার সময় ছেলেটি সায়নিকে বলে, “আমি তোকে ভালোবাসি, তুই আমাকে বিয়ে কর।” কিন্তু সায়নি রেগে যায়, বলে, “তোকে বিয়ে করব? তুই তো অহংকারী, আমি বরং সাধারণ একজনকে বিয়ে করব।” এতে ছেলেটির বুক ভেঙে যায়। সে কষ্টে বিড়ি-সিগারেট ধরায়, মদ খায়, হোয়াটসঅ্যাপে গালাগালি করে।
ভাই তাকে পরামর্শ দেয়—“তুই কিছুদিন ওকে পাত্তা দিস না, দেখবি ও নিজে এসে তোকে খুঁজবে।” পরের দৃশ্যে কলেজে মেয়েটি তার পাশে বসতে চাইলে সে উঠে যায়, অন্য মেয়েদের সাথে আড্ডা দেয়। সায়নি কেঁদে বলে, “তুই যে আমাকে পাত্তা দিচ্ছিস না, একদিন বুঝবি আমি কি।”
গল্প এগোতে থাকে। ছেলেটির অহংকার তখনও যায়নি। ভাইপোর সামনে সে আবার বড়াই করে, “আমি তো বাংলা একশো পারি, বাংলায় দুইশো পঁচিশ, আমার থেকে বেশি কেউ জানে নাকি!” এতে ভাইপো রেগে চলে যায়।
হঠাৎ একদিন ছেলেটি দেখে সায়নি অন্য এক ছেলের সাথে গল্প করছে। সে রেগে গিয়ে টেনে ধরে, কিন্তু সায়নি বলে, “এটা প্রেম নয়, শুধু কথা বলছি। তোর সমস্যা কী?” ছেলেটি বলে, “ঠিক আছে, তুই একদিন বুঝবি আমি কি জিনিস।”
ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক আবারও গড়ে ওঠে। তারা একসাথে ঘুরতে যায়, প্রেমে ডুবে যায়। কিন্তু সায়নির বাবা ছেলেটিকে মেনে নিতে রাজি নয়, কারণ আগেই শুনেছে সে খুব অহংকারী। অবশেষে সায়নির বাবা স্ট্রোক করে হাসপাতালে ভর্তি হয়। সেখানে ও-নেগেটিভ রক্তের প্রয়োজন হয়। কাকতালীয়ভাবে ছেলেটিই ও-নেগেটিভ। সে রক্ত দিয়ে সায়নির বাবার প্রাণ বাঁচায়। এই আত্মত্যাগে অবশেষে সায়নির বাবা মেয়ের প্রেমকে মেনে নেয়।
এইভাবেই অহংকারী প্রেমিক গল্পটা শেষ হয়—যেখানে অহংকার ভেঙে জায়গা নেয় ভালোবাসা, দায়িত্ব আর আত্মত্যাগ।
---
🎬 এই ভিডিওতে দেখতে পাবেন (১০ পয়েন্ট)
1. কলেজ থেকে বেরিয়ে আসা ছেলেমেয়ের তর্ক-বিতর্ক ও ছেলেটির অহংকার।
2. প্রফেসরের সাথে নিজের তুলনা করে ছেলেটির দাম্ভিকতা।
3. সায়নির বিদেশে পড়তে যাওয়ার ঘোষণা এবং ছেলেটির মন খারাপ।
4. রাতে মায়ের সাথে কথোপকথন, যেখানে ছেলের প্রেম ধরা পড়ে।
5. ছেলেটির মায়ের প্রস্তাব—সায়নিকে বিয়ে করার ইঙ্গিত।
6. সায়নির অস্বীকৃতি এবং পড়াশোনার স্বপ্ন।
7. অভিমান, হোয়াটসঅ্যাপে গালাগালি আর ঈর্ষার মুহূর্ত।
8. কলেজে ইগনোর করা এবং মেয়েটির কান্না।
9. সায়নির বাবার অসুস্থতা ও হাসপাতালে রক্ত দেওয়ার ঘটনা।
10. শেষমেশ আত্মত্যাগের মাধ্যমে ভালোবাসার স্বীকৃতি।
Follow Me on Instagram.
https://instagram.com/no_1_gramin_tv
For Business enquiry.. [email protected]
অভিনয়ে: Starring:
[Rowshan saikh, Rasid Sk , Sayoni Izdar, Akash malithya , saheb sk, Taniya khatun, ]
পরিচালনা: Directed And Written by: [Rocky saikh ]
রৌশন দাও
No 1 Gramin TV Latest Bangla Funny 2025
Camera _ Jahangir sk
Editing by - Rasid SK.
#ComedyBanglaNatok #BanglaNatok #hasirnatok2024 #bangla_natok
#banglafunnyvideo
শুভ উদ্বোধন! শুভ উদ্বোধন!!
“নাম্বার ওয়ান রওশন বাজার” শুরু করল নতুন কাপড়ের দোকান — নতুনভাবে পথচলা!
স্পেশাল অফারে মাত্র ১১৯৯ টাকায় পাচ্ছেন প্রিমিয়াম কোয়ালিটির রাজকীয় শাড়ি!
চমৎকার জরি কাজ, নজরকাড়া ডিজাইন — বিয়ে, ঈদ, পূজা, অনুষ্ঠান কিংবা উপহারের জন্য একদম পারফেক্ট!
স্টকে সীমিত, আগে আসলে আগে পাবেন!
তাই আর দেরি নয় — এখনই চলে আসুন নাম্বার ওয়ান গ্রামীণ টিভি স্টুডিও, রওশন বাজারে।
আর ঘরে বসেই WhatsApp-এ Booking করুন অথবা মেসেজ করুন: 8509605354
শাড়ি পৌঁছে যাবে আপনার দরজায়!