হু হু করে বন্যার পানি ঢুকছে চলনবিলে !! নাটোরে বাঁধ ভেঙ্গে বন্যার আশঙ্কা Flood in Natore, Bangladesh
May 4, 2026•Channel
AI Analysis
Data from YouTube Data API v3•Updated Just now
Video Overview
Video Details
Published1 month ago
Duration4:12
Video IDmMf4thqj15Q
Languagebn
CategoryNews & Politics
PrivacyPublic
Made for KidsNo
Video TypeRegular Video
Performance Metrics
Views68.6K
Likes393
Comments10
Engagement Rate0.59%
Likes per 100 views0.57
Comments per 1K views0.15
Video Tags
Description
ভারী বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি আত্রাই নদী ও কয়েকটি খাল দিয়ে হু হু করে ঢুকছে চলনবিলে। বিস্তীর্ণ ধানখেতে এভাবে পানি ঢুকে পড়ায় বোরো ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা। তবে ফসল রক্ষায় খালের মুখে মাটির বাঁধ দিয়ে পানি আটকানোর প্রাণপণ চেষ্টা করছেন চাষিরা। বাঁধ দিয়ে পানি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে নাটোরের সিংড়ার ২৬ হাজার হেক্টর এবং গুরুদাসপুরের নিমাঞ্চলের কিছু ধানখেত তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছে কৃষি বিভাগ। ভারতের পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে নাটরের চলনবিলে কতটা ভয়াবহ হয়ে উঠছে বন্যা পরিস্থিতি? তা জানাবো আমাদের সহকর্মী জাকারিয়া মাসুদের ভিডিও চিত্রে, চলুন শুরু করা যাক…
সরেজমিনে দেখা যায়, চলনবিল এলাকায় পানির উচ্চতা ক্রমাগত বাড়ছে। বাঁধ দিয়ে পানি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে নাটোরের সিংড়ার ২৬ হাজার হেক্টর এবং গুরুদাসপুরের নিমাঞ্চলের কিছু ধানখেত তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছে কৃষি বিভাগ। তবে নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বিলে পানি প্রবেশ রোধে একসঙ্গে কাজ করছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কৃষি কর্মকর্তা ও স্থানীয় কৃষকেরা।
নাটোর কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে নাটোরে থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানিতেই অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকার ধানের জমি ইতিমধ্যে ডুবতে শুরু করেছে। এছাড়া উজানের উত্তর ভারত থেকে নেমে আসা পানি চলনবিলের বুক চিরে বয়ে যাওয়া আত্রাই নদী হয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই নদীর পানি সিংড়ার জোড়মল্লিকা, সারদানগর, হুলহুলিয়া, কতুয়াবাড়ি, রাখালগাছা, পৌর শ্মশানঘাট খাল এবং বিলদহর হয়ে গুরুদাসপুরের বিলহরিবাড়ি, যোগেন্দ্রনগর, বিলশা ও রুহাই বিলে প্রবেশ করছে। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় বিভিন্ন খালের মুখে মাটির বাঁধ নির্মাণ করে পানি আটকানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছেন চাষিরা। বৃষ্টি আর নদীর পানি অব্যাহত থাকলে মাটির তৈরি এসব বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ চলনবিলে পানি প্রবেশ করে ধানখেত ডুবিয়ে দিতে পারে।