ফারাক্কার জবাবে পদ্মা ব্যারাজ !! ভারতকে উচিৎ শিক্ষা দিলো বাংলাদেশ ! Padma Barrage opposite Farakka

May 14, 2026Channel
AI Analysis
Data from YouTube Data API v3Updated Just now

Video Overview

Video Details

Published1 month ago
Duration3:50
Video IDqPd2dJOjWTA
Languagebn
CategoryNews & Politics
PrivacyPublic
Made for KidsNo
Video TypeRegular Video

Performance Metrics

Views3K
Likes125
Comments11
Engagement Rate4.50%
Likes per 100 views4.14
Comments per 1K views3.64

Description

ছয় দশকের অপেক্ষা শেষে এবার সত্যিকারের অগ্রগতির দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েছে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প। পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছেন, প্রকল্পের ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে এবং প্রস্তাবিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৩,৪৯৭ কোটি টাকা। বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ থেকে ২০৩৩ সাল। আগামী বুধবারের একনেক সভায় প্রকল্পটি উপস্থাপন করার জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। ​মনে করা হচ্ছে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে দীর্ঘ পাঁচ দশকের অপেক্ষার পালা শেষ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের। ১৯৭৫ সালে ভারত ফারাক্কা ব্যারেজ চালু করলে বাংলাদেশে পদ্মার পানি প্রবাহ মারাত্মকভাবে কমে যায়। এর ফলে হিসনা, মাথাভাঙ্গা, গড়াই, মধুমতী, চন্দনা, বারাসিয়া, ইছামতী ও বড়াল নদীর মতো শাখা নদীগুলো প্রায় শুকিয়ে গেছে। পানি সম্পদ বিশেষজ্ঞ মাহমুদুল হোসাইন খান বলেছেন, ফারাক্কা ব্যারেজের প্রভাবে আমাদের কিছু এলাকা মরুভূমি হয়ে গেছে; তাই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশ বাঁচবে। ​ ​পানি সম্পদ মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে রাজশাহীতে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সরকার তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পূরণ করতে যাচ্ছে। প্রকল্পের কারিগরি বিবরণ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই বিশাল কর্মযজ্ঞের কেন্দ্রে থাকবে রাজশাহীর কাছে পদ্মা নদীতে ২.১ কিলোমিটার দীর্ঘ মূল ব্যারেজ। এখানে থাকবে ৭৮টি স্পিলওয়ে, ১৮টি আন্ডারস্লুইস, দুটি ফিশ পাস ও নেভিগেশন লক। গড়াই ও মধুমতী নদীতে ১৩৬ কিলোমিটার ড্রেজিং এবং কৃষ্ণা নদীতে ২৪৬ কিলোমিটার পুনর্খনন করা হবে। এছাড়া, এখান থেকে ১৩৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনাও দেখানো হয়েছে। ​প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। সুন্দরবনে স্বাদু পানির প্রবাহ নিশ্চিত হবে এবং খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে লবণাক্ততার প্রকোপ উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে।

Related Videos

More videos from Bioscope Entertainment